মাদকের সাথে ব্যাটারির পানি মিশানো মদ খাওয়াতে জহির আহাম্মদের মৃত্যু।

প্রকাশিত: ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২০, 417 জন দেখেছেন

::
উখিয়া প্রতিনিধি:;মদে সাথে ব্যাটারি গ্ররাপেটির পানি মিশিয়ে খাওয়াতে জহির আহাম্মদের মৃত্যু হয়ছে তার পরিবার দাবী করেন। তিনি হচ্ছে রুহুল্লারডেবা রত্নাপালং ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসীনদার র্গাডেনের পাশে একটি চায়ের দোকান করত তার সাথে ভালো খারাপ সভার সাথে পরিচয় ছিলো। সেই শুভাতে এক সাথে চার পাঁচ জন মিলিয়ে মদ খাওয়ার সময়ে তাকে পুর্ব শক্রতার চিন্তা করে জহির আহাম্মদকে মদের সাথে ব্যাটারি গ্ররাপেটির পানি মিশিয়ে তাকে খাওয়া হয়ছে বলে জানান তার পরিবার। তার বড় ছেলে রেহান উদ্দিন। জহির আহাম্মদ হাসপাতালে ভর্তি থাকার অবস্তায় বড় ছেলে রেহানকে এসব কথা বলা হয়ছে বলে রেহান বলেন।

রেহান উদ্দিন আরো বলেন। যারা তার বাবার হত্যাকাণ্ডের জড়িত থাদেরকে চিহ্ন করে আইনের আওতায় আনা হবে তার পরিবারে বড় ছেলে রেহান উদ্দিন বলেন।

পালং গার্ডেনের নৈশপ্রহরী জহির আহম্মাদকে পুর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যাটারির পানি মিশ্রিত মদ খাওয়ায়ে তার মৃত্যুর কুলে ঠেলে দেয়। আজ সোমবার ভোর ৬টা ৫০ মিনিটে উখিয়া কুতুপালং এমেসেফের হাসপাতালে শেষ নিশাস ত্যাগ করেন।মৃত্যুকালে জহির আহাম্মদ বয়স (৪৫) ২ স্ত্রী ও সন্তান ছেলে মেয়ে মোট ৬জন।

জহির আহাম্মদ মৃত্যুর খবর পেয়ে সাথে সাথে উখিয়া থানার পুলিশ ঘর্টনাস্তলে উপিস্থিত উখিয়া থানার পুলিশ অফিসার এস আই শিম্পু সহ একটি পুলিশের টিম আসে লাশ পোষ্টমডের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়।
পোস্টমর্টেমর শেষে লাশটি রুহুল্লারডেবা বায়তুল শরফ কবরস্থান দাফন করা হয়।

পুলিশ অফিসার বলেন। লাশ মর্গ নেওয়া পরে মইনা তদন্ত পরে রিপোর্ট আসলে মামলা হবে বলে তিনি বলেন।

প্রশাসনের কাছে তার পরিবার দাবী করেন এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বেবস্তা করা হউক।