নওগাঁয় শুরু হয়েছে ধান মাড়াই বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে শুরু করেছে শ্রমিক

প্রকাশিত: ৭:০৫ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৮, ২০২০, 690 জন দেখেছেন
 নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি-
এই দুঃসময়ে আমাদের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা শুধু সচল রাখা নয়, আরও জোরদার করতে হবে। সামনের দিনগু’লিতে যাতে কোনপ্রকার খাদ্য সঙ্কট না হয়, সেজন্য আমা’দের একখণ্ড জমিও ফেলে রাখা চলবে না।এই যেন প্রতিজ্ঞা জেলার প্রতিটি কৃষকের।
শস্য ভান্ডার খ্যাত উত্তরের জনপদ নওগাঁ    জেলার প্রায় ২.৭৩.৮৩২ হেঃ আবাদি জমির  বেশী অংশ জুড়ে।  সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ফসল বরো ধান রয়েছে।আর এই ধান উৎপাদন করতে কৃষকের সবচেয়ে বেশি খরচ করতে হয়। হয়তো আগামী আর দুই সপ্তাহের মধ্যেই পুরো জেলা জুড়ে ধান মাড়াই শুরু হবে। সেই ধান মাড়াই করতে প্রচুর শ্রমিক ও অর্থের প্রয়োজন হয়।
তার ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, পাবনা ও লালমনিরহাট সহ বিভিন্ন জেলা থেকে। প্রায় সাত হাজার শ্রমিক নওগাঁ আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন  পুলিশ ও জেলা প্রশাসন।
তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বিভিন্ন উপজেলায় পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক হারুনুর রশিদ।
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, জেলায় এ বছর ১ লাখ ৮৩ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি বোরো চাষ করা হয়েছে। এতে ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১১ লাখ মেট্রিক টন। এসব ধান কাটা মাড়াইয়ে প্রয়োজন হবে প্রায় ৬০ হাজার শ্রমিক।
আমরা স্থানীয় শ্রমিকদের ধান কাটার পাশাপাশি।আরও শ্রমিক নিয়ে আসতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে মেশিন দিয়ে ধান কাটা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে জেলার কিছু এলাকায় শীলা বৃষ্টির কারণে কৃষক ধান সহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হয়েছে।
আশা করছি জেলায় বড় ধারণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে।  ধান কাটা মাড়াইয়ে কোনো সমস্যা হবে না। খুব দ্রুতই বাইরের জেলা থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শ্রমিক নিয়ে আসা হবে।
নওগাঁ পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম বলেন, যারা বাইরে থেকে ধান কাটতে আসছেন তাদের জ্বরসহ স্বাস্থ্যের পরীক্ষা নিয়ে আমরা তাদের সামাজিক দূরত্বের বিষয়ে অবহিত করছি। এছাড়া তাদের থাকার জন্য আলাদা জায়গা এবং খাবাবেরর ব্যবস্থা নিয়েই বিভিন্ন উপজেলায় ধান কাটতে পাঠানো হচ্ছে।
বর্তমানে প্রকার ও মান ভেদে ৭৫০ থেকে ৮০০টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে বলে জানাগেছে।