রাজারহাটে ক্ষমতার দাপট খাটিয়ে পুকুর দখল

প্রকাশিত: ২:০৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৬, ২০২০, 1169 জন দেখেছেন

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:: কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের চতুর্ভুজ মৌজার একতা বাজারের সাথে পশ্চিম দিকে একটি পুকুর ক্ষমতা খাটিয়ে দখল করেছে নামবিহীন সমিতি।

ওই নামবিহীন সমিতির সদস্যরা বলেন পুকুরটি খাস।
পরে তারা উপস্হিত সাংবাদিকদের বলেন আমরা খাস জমি খাবো কার কি?
সাংবাদিকদের প্রশ্নে খাস পুকুর এর সরকারী লিজ এর কোন কাগজপত্রের তথ্য ও সমিতির কাগজ পত্র তারা দেখাতে পারে নাই।

তারা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি-সোঠা নিয়ে ১০০ থেকে ২০০ জন মিলে সেই পুকুরের সীমানা খুঁটি নিশ্চিহ্ন করে লাল নিশানা টানিয়ে দেয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ওই জমির ক্রয়সূত্রে মালিক মৃত আব্দুল আজিজ গং,দীর্ঘদিন পর্যন্ত মোট ৮১ শতক জমি আব্দুল আজিজ গং এর কয়েকটি পরিবার বসতবাড়ি করে পুকুরসহ ভোগদখল করে আসছে,তারা বলে তাদের কাগজের ভিত্তিতে তারা ভোগদখল করে আসছে।

কিন্তু নামবিহীন সমিতি ক্ষমতার দাপট খাটিয়ে পুকুর দখল করে নিয়ে মাছ ছেড়েছে।

জমির ক্রয়সূত্রে মালিক আব্দুল আজিজ গং বাধা দেওয়ার জন্য থানায় বিষয়টি জানালে রাজারহাট থানার দুইজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্হলে গিয়ে পরিদর্শন করেন এবং বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে দুপক্ষকেই নিশ্চুপ থাকতে বলেন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কাগজপত্র নিয়ে থানায় ডেকে সমাধান করার আশ্বাস প্রদান করেন।

কিন্তুু ঐ এলাকার ইউপি মেম্বার খালিদ আহমেদ নামবিহীন সমিতির সদস্যদের সাহস দিয়ে পুকুরটি দখল করে নেয়। এবং ঐ পুকুরের পাশে ঘড় তোলার জন্য ঘড় তৈরি উপকরন নিয়ে আসে সমিতির সকলে মিলেই।পরিকল্পনা করে ঘড়টি তুলবে দেখে জমির ভোগকারী মালিকের পক্ষে আব্দুল হাকিম গতকাল থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছে

ঘটনাস্হলে গিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে ছিনাই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান বুলুর কাছে জানতে চাইলে উনি এ বিষয়টি অবগত আছেন বলে জানান।চেয়ারম্যান বলেন কি কারণে নাম ও রেজিঃ বিহীন সমিতিটির লোকজন দখল করছে তা তার জানা নেই।

ঐ এলাকার ইউপি মেম্বার এ ব্যাপারে বলেন, জায়গাটি খাস হওয়ায় সমিতির লোকজন তা দখল করেছে।আরও জানা যায় খালিদ মেম্বারের পিতাই এই নামবিহীন সমিতির সভাপতি।

মেম্বার বলেন ঘর সমিতি তুলবে দেখি কে কি করে। এখন ঐ নামবিহীন সমিতি পুকুরের পাশে ঘড় তোলার চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে বিধায় বিশাল দাঙ্গা হাঙ্গামার সৃষ্টি করতে পারে বলে এলাকাবাসীর দাবি।

তারা এর সুষ্ঠু আইনি সাহায্য কামনা করছেন, তা না হলে এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশাল দাঙ্গা হাঙ্গামার সৃষ্টি করতে পারে ক্ষমতাশালী সমিতির লোকজন।