গোলাপগঞ্জে বন্ধ খোলা বাজারে ইফতার সামগ্রী বিক্রি, রেস্টুরেন্টে মানুষের ভিড়

প্রকাশিত: ১:০৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৫, ২০২০, 768 জন দেখেছেন

ফাহিম আহমদ (সিলেট) গোলাপগঞ্জ :: প্রতি বছরের ন্যায় এবার করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে গোলাপগঞ্জে বসেনি খোলা বাজারে ইফতার সামগ্রীর দোকান। তবে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে অনেকটা গাদাগাদি করে চলছে ইফতার সামগ্রী বিক্রি। দেশে চলা অঘোষিত লকডাউনে নির্দিষ্ট সময় বেধে দিয়ে খোলা রাখা হয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যদির দোকান। গোলাপগঞ্জে তার ব্যতিক্রম নয়।

প্রতি বছর রমজান মাস আসার দুই, তিনদিন আগে থেকে উপজেলার বিভিন্ন খোলা বাজারে শুরু হয়ে যেত ইফতার সামগ্রী বিক্রি করার দোকানের কাজ। বিভিন্ন বড় বড় রেস্টুরেন্ট, দোকান এমনকি বাজারের আশপাশে খালি জায়গায় ঘর তৈরি করে জমজমাট ব্যবসা হতো ইফতার সামগ্রীর। কিন্তু এবছর সেটা একেবারেই ভিন্ন।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় কিছু কিছু রেস্টুরেন্ট ছাড়া, খোলা বাজারে নেই ইফতার সামগ্রী বিক্রির দোকান।

বিশেষ করে গোলাপগঞ্জ, ঢাকাদক্ষিণ, ভাদেশ্বর, হেতিমগঞ্জ বাজারে রমজান মাস আসলে দেখা যেত ইফতার সামগ্রী বিক্রির দুম শুরু হয়েছে। ব্যস্ত সময় পার করতেন প্রতিটি দোকানের কারিগড়রা৷ বাড়তি মানুষ রাখা হতো প্রতিটি দোকানে। অবসরের সময় মিলতো না। হাজার-হাজার টাকার ব্যবসা করতেন একবারে ছোট দোকানের ব্যবসায়ীও।

উপজেলার ঢাকাদক্ষিণ বাজারের ব্যবসায়ী কামাল আহমদ বলেন, প্রতি বছর রমজান মাস আসার ২/১ দিন আগে থেকে আমরা ব্যবসা বড় করার জন্য দোকানের কাজ শুরু করে দিতাম। ভাল ব্যবসা হতো। কিন্তু এবার আর সেটা নেই।

গোলাপগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী সুলতান আহমদ বলেন, রমজান আসলে আমরা বিভিন্ন রকমের ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসতাম। বেচাকেনা হতো খুব ভাল। প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার ব্যবসা করতাম

কথা হয় রুবেল আহমদ নামে একজন ক্রেতার সাথে। তিনি বলেন, প্রতি রমজানে বিকালে গোলাপগঞ্জে এসে ছোট ছোট জিলাপি, পেয়াজু, চানা কিনে নিতাম। কিন্তু এবার আর সেটা নেই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রহমান জানান, ইফতার সামগ্রীর দোকানে প্রচুর জনসমাগম হয়৷ এতে করোনার ঝুঁকি থেকে যায়। তাই এবার আমরা খোলা বাজারে ইফতার সামগ্রী বিক্রি না করার নির্দেশ দিয়েছি।