চান্দিনার জোয়াগে এনআইডি কার্ড দেখিয়ে ১০টাকা কেজির চাল বিতরন

প্রকাশিত: ৭:২৫ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৩, ২০২০, 632 জন দেখেছেন

আলিফ মাহমুদ কায়সার কুমিল্লা প্রতিনিধি:-

“শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ” এই শ্লোগানকে সামনে নিয়ে সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় অতি দরিদ্রদের মাঝে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি শুরু করা হয়েছে। অতি দরিদ্র পরিবারের এনআইডি কার্ডধারী ব্যক্তিদের মাঝে ১০টাকা কেজি দরে ৩০কেজি করে চাল বিক্রি করা হচ্ছে।এর পরিপ্রেক্ষিতে চান্দিনার জোয়াগ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে কেজি প্রতি ১০ টাকা করে ৬৪৩ টি পরিবারের মাঝে প্রতিজনে ৩০ কেজি করে মোট ১৯টন সরকারি বরাদ্দের চাউল ডিলারের মাধ্যমে বিতরন করা হয়। ১৩ই এপ্রিল সোমবার দিনব্যাপী জোয়াগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান তালুকদারের তত্ত্বাবধানে এ সময় উপস্থিত ছিলেন চান্দিনা উপজেলা ট্যাকনেশিয়ান থেকে আগত ট্যাগ অফিসার অজয় চন্দ্র সরকার,উপজেলা প্রোগ্রামার অফিসার ICT মোঃ তানভীরুল ইসলাম,উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা জিয়াউল আবেদীন, ডিলার শহিদুল ইসলাম, আওয়ামী নেতা গাজী ফরিদ উদ্দিন,ইউপি সদস্য আবদুল মবিন,ইউপি সদস্য কবির আহমেদ,ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন,সংরক্ষিত মহিলা সদস্য লাইলী আক্তার, আহসানুল উল্ল্যাহ তালুকদার,মোশরফ হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।
বিতরনকালে ট্যাগ অফিসার সকলের উদ্দ্যেশে বলেন- এ কর্মসূচির আওতায় অতি দরিদ্র পরিবারের কার্ডধারী ব্যক্তিরা ১০টাকা করে ৩০কেজি করে চাল কিনতে পারবেন। প্রতিজন ডিলার ১মেট্টিকটন চাল বিক্রি করতে পারবেন। শুক্রবার ছুটির দিন ব্যতিত সপ্তাহের প্রতিদিনই এ কর্মসূচী চলবে।
এদিকে অতিদরিদ্র মানুষদের ডিলারের দোকানগুলোতে চাল কিনতে উপড়ে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে জিজ্ঞাসায় বিভিন্ন এলাকার কার্ডধারী অতিদরিদ্র মানুষরা সে সময় বলেন বছরের ইরি-বোরো ও রোপা-আমন ধান চাষের সময় বাজারে চালের দাম অনেক বেশি থাকে। তাই আমাদের মতো দিনমজুর ও খেটে খাওয়া গরীব মানুষদের পক্ষে বেশি দামে বাজার থেকে চাল কিনে খাওয়া খুবই কষ্ট্যসাধ্য হয়ে পড়ে।কিন্তু শেখ হাসিনার দেওয়া ১০টাকা কেজি দামে চাল পেয়ে আমরা খুবই খুশি ও আনন্দিত কারণ পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে দুবেলা দুমুঠো ভাত খেতে পারছি। তাছাড়া দিনে যা আয় হতো তার সব কিছু দিয়ে চাল কিনতে হতো অন্যান্য বাজার করাই যেতো না। এই চাল বিক্রি করায় আমরা খুবই উপকৃত হচ্ছি।।
করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় কোন পরিবার যেন না খেয়ে থাকতে পারে সেক্ষেত্রে উক্ত চাউল স্বচ্ছ ভাবে পেতে পারে সেজন্য মাস্টাররোলের মাধ্যমে নিজ দায়িত্বে বিতরন করেছি যেন ত্রান দেওয়া নিয়ে কোন অপপ্রচার না হয় আর ইতিমধ্যে যারা অপপ্রচার চালিয়েছে তাদের প্রতি তীব্র নিন্দা জানান উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান তালুকদার।