ভোলায় করোনা ভাইরাসের অজুহাতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির দায়ে ৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

প্রকাশিত: ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২২, ২০২০, 455 জন দেখেছেন

মো. সাইফুল ইসলাম,ভোলা প্রতিনিধিঃ

সারাবিশ্বে এখন মহা আতঙ্ক হচ্ছে করোনা ভাইরাস।চীন থেকে প্রকাশিত এই ভাইরাস যার দাপটে ১১ হাজারের অধিক মানুষ মারা গেছে।বাংলাদেশে ও কিন্তু এর ঝুঁকি রয়েছে।যে কারনে করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।যেখানে দ্রব্যমূল্য প্রায় ২থেকে ৩ গুন পর্যন্ত হয়েছে।ফলে সাধারণ মানুষ এখন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছে।

ভোলায় করোনা ভাইরাস’ আতঙ্কের সুযোগে বেশি দামে চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিক্রির অভিযোগে ভোলায় ৩৮ ব্যবসায়ীকে সাড়ে তিন লাখ টাকা জমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ নিয়ে গত চার দিনে একই অভিযোগে ১১৮টি জরিমানা আদায় করা হল।

গত শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে সদর উপজেলাসহ জেলার সাত উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাজার মনিটরিংয়ে নামেন। এ সময় বেশি দামে পণ্য বিক্রি করায় ব্যবসায়ীদের জরিমানা আদায় করা হয়। এদের মধ্যে শুধু সদর উপজেলাতেই ২৯ ব্যবসায়ী থেকে তিন লাখ দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় উপশহর কুঞ্জেরহাট বাজারে নিত্যপ্রয়জনীয় পন্যে ও পেঁয়াজ এবং চাউল এর দাম বেশি রাখায় তিন মুদি দোকানের মালিকে ১লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
এরশাদ ষ্টোর মালিক জাহাঙ্গীর কে ৩০হাজার, মুদি দোকান শাহজান কে ৩০ হাজার সুকণ্ঠ সাহার দোকানের ১০হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং আলমদিনা হোটেলে দুইদিন আগের মুরগী গ্রীল রাখার কারনে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সাধারন মানুষ এই ধরনের অভিযান পরিচালনা করায় ধন্যবাদ জানিয়েছে এবং এই অভিযান যেন অব্যাহত রাখেন।
দ্রবমূল্য বৃদ্ধির দায়ে সমগ্র ভোলায় প্রায় ৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে।
এদিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে- গত ২৪ ঘন্টায় ভোলায় নতুন ১২৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা ব্যাক্তির সংখ্যা দাড়ালো ১৭৫ জনে। এদের মধ্যে তজুমদ্দিনে ৭ জন, বোরহানউদ্দিনে ১৭ জন, দৌলতখানে ১২, ভোলা সদরে ১০, চরফ্যাশনে ৩, মনপুরায় ২৪ ও লালমোহন উপজেলায় ১০১ জন রয়েছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা ব্যাক্তিদের মধ্যে ইতালি, জার্মানি, সিঙ্গাপুর, ইন্ডিয়া, মালেয়েশিয়া, আবুদাবি, থেকে আগত প্রবাসীদের সংখ্যাই বেশী বলে জানিয়েছেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।