শহর নাকি গ্রাম কোনটি নিরাপদ

প্রকাশিত: ৮:৫৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২০, 648 জন দেখেছেন

নাসির উদ্দিন( নওগাঁ)জেলা প্রতিনিধিঃ-

করোনা আতংকে রাজধানী সহ দেশের বড় বড় শহর ছেড়ে গ্রামে ফিরে আসছে  মাদ্রাসা. স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী সহ কর্মরত বেশীরভাগ মানুষ।

সাধারণত ঈদ উৎসব এবংপূজা পর্বনে একসাথে আনন্দ ভাগ করে নিতেই গ্রামের বাড়িতে ফেরার ধুম পড়ে যায় শহরে  কর্মরত গ্রামের মানুষ গুলোর কিন্তু এবারের গ্রামে ফেরার চিত্র চোখে মুখে করোনা আতংকের.

সাধারণত দেশে ঋতু বদলের পরবর্তী সময় এমনিতেই সর্দি জ্বরের প্রকপ একটু বেশিই থাকে কিন্তু প্রাণঘাতি এই ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ সাধারণ সর্দি কাশি মাথাব্যথা গলা ব্যথা ও জ্বরের মতো হওয়ায় যেন আতংকটা একটু বেশি প্রভাব ফেলেছে প্রান্তিক  জনজীবনে .

প্রাণঘাতি এই ভাইরাস সংক্রমণের প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে  সকল কার্যক্রম. আতংকিত হয়ে কোমলমতি শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলের মাঝেই বেড়েছে ভাইরাস সংক্রমণ রোধে হাত ধোয়া জন সমাগম এড়িয়ে চলা এবং মাস্কের ব্যাবহার.প্রতিনিয়ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায়  কি ঘটতে যাচ্ছে আগামীতে এমনটি ভেবে উদ্বিগ্ন  এই  জেলার প্রতিটি সচেতন মানুষ .

নগর নাকি গ্রাম কোনটি নিরাপদ এমন প্রশ্নের উত্তর অজানা সবার কাছেই  প্রিয় মানুষদের পাশে থাকতেই শহর ছেড়ে  নাড়ির টানে ছুটে আসছে গ্রামে এমনটিই জানিয়েছেন শহর ফেরৎ অনেকেই.

প্রানঘাতি করোনা ভাইরাস  সংক্রমণ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে সরকারি বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক  সংগঠন গুলো লিফলেট বিতরন মাইকিং বিভিন্ন ভাবে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করার জন্য কাজ করছে প্রতিটি ওয়ার্ড ইউনিয়ন ও উপজেলায় এবং করোনার অজুহাতর  বাজারে দ্রব্য মূল্য অস্থিতিশীল করা অসাধু ব্যাবসায়ীদের তৎপরতা বন্ধ করতে জেলা সদর সহ প্রতিটি উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে সেই সাথে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা সকলের খোঁজ নেওয়া হচ্ছে  বাড়ি বাড়ি গিয়ে।

 

জানাগেছে আক্রান্ত ব্যাক্তির  কাঁশি বা হাঁচির কফের সাথে বের হয়ে কার্যকর ভাবে বাতাসে ভেসে থাকতে পারে কয়েক ঘন্টা প্রাণঘাতি এই ভাইরাস

এছাড়াও ভূপৃষ্ঠে টিকে থাকতে পাড়ে কয়েকদিন, এই প্রাণঘাতি ভাইরাসটি সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম ভূপৃষ্ট  থেকে ও এমনটিই জানিয়েছেন বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে,

সরকারের রোগতত্ত্ব ,রোগনিয়ন্ত্রণ ও  গবেষণা ইনিস্টিটিউট এর তথ্য মতে দেশে এ পর্যন্ত  করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে একজন এবং আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছে  ২০ জন, হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন সহস্রাধিক প্রায়, লক ডাউন করা হয়েছে দেশের মাদারীপুরে একটি উপজেলা.

নওগাঁ জেলা সিভিল সার্জন সূত্র মতে এখন পর্যন্ত জেলার কোথাও কোন করোনা ভাইরাসে  আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়নি হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১৩৪ জন

 

সম্প্রতি বিশ্বেজুড়ে কোরনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন বেশ কয়েকটি দেশ.

মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার  বাংলাদেশ সহ বিশ্বের প্রায় একশত ৭৩ টি দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২ লক্ষাধিক প্রায়

আশার কথা হলো এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৮৬ হাজার প্রায়,

এমন পরিস্থিতিতে প্রানঘাতি এই ভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায়  সকল কে সচেতনতার সাথে  স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছেন প্রতিটি উপজেলা প্রশাসন সহ নওগাঁ জেলা সিভিল সার্জন কর্তৃপক্ষ  ।