মুজিবনগর সরকার দিবসে চট্টগ্রামে উদ্বোধন হবে বঙ্গবন্ধুর সর্বোচ্চ ভাস্কর্যঃ মেয়র নাছির

প্রকাশিত: ৪:০৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৬, ২০২০, 683 জন দেখেছেন

চট্টগ্রাম (জেলা) প্রতিনিধি: সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরে নির্মিত হচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাড়ে ২৯ ফুট দৈর্ঘ্যের সর্বোচ্চ ভাস্কর্য। এটিই বর্তমানে বাংলাদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর সর্বোচ্চ ভাস্কর্য বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল। আগামী ১০ এপ্রিল মুজিব নগর সরকার দিবসে এই ভাস্কর্যের চুড়ান্ত পর্দা উন্মোচন করা হবে। 

ভাস্কর্য তৈরির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে টাইগার পাসস্থ চসিকের নতুন কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর একটি মাটির অনুকৃতি তৈরি করা হয়েছে। গতকাল ১৬ মার্চ দুপুরে মেয়র নাছির ভাস্কর্যের মাটি নির্মিত অনুকৃতি উদ্বোধন করেছেন।
উদ্বোধনে মেয়র বলেন, পোর্ট কানেকটিং রোডে স্থাপনের জন্য
বেইজসহ সাড়ে ২৯ ফুট উঁচু বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যটি তৈরি করা হচ্ছে । এতে ভাস্কর্য তৈরির জন্য ব্যয় হচ্ছে ৪০ লাখ টাকা। আর বেইজমেন্ট ও বিউটিফিকেশনে ব্যয় হচ্ছে সাড়ে ৪৭ লাখ টাকা। বাঙালির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পরিচিত করিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণকারী চবি চারুকলা ইন্সটিটিউটের সহকারী অধ্যাপক আতিকুল ইসলাম বলেন, এখন প্রকল্পের মাটির অনুকৃতি তৈরি করা হয়েছে। সারফেস অংশের কাজ বাকি। মাটির অনুকৃতি থেকে মোল্ড তৈরি করা হবে। তারপর ডায়েসগুলোতে ঢালাই হবে। এতে আরো ২০ দিন সময় লাগতে পারে। প্রকল্পে ভাস্কর্যের দৈর্ঘ্য সাড়ে ২২ ফুট। পরিধি গড়ে ৭ ফুট। ভাস্কর্যের বেইজ হচ্ছে ৪ ফুট। তাছাড়া পোর্ট কানেকটিং রোডে চুড়ান্ত স্থাপনে আরো ৩ ফুটের বেইজ করা হচ্ছে।

উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, গত বছর ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সফলতা পেয়েছে চসিক।তবে এবার মশা নিয়ন্ত্রণ নতুন চ্যালেঞ্জ জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প। এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাজের জন্য অনেক খাল, ড্রেন নালায় পানির গতি প্রবাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এগুলোতে পানি জমে মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। তাই মশার উপদ্রব বেড়েছে। মুজিব বর্ষকে সামনে রেখে পরিচ্ছন্ন গ্রাম,পরিচ্ছন্ন শহর কর্মসুচির আওতায় বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।
করোনাভাইরাসের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আমরা জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট করেছি। সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ১ লাখ লিফলেট বিতরণ করেছি আমরা। তাছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন,স্বাস্থ্য দপ্তরসহ সবাইকে নিয়ে আলোচনা করে করনীয় নির্ধারণ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। সমন্বিত ভাবে এই সমস্যা সমাধান করতে পারবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামশুদ্দোহা, কাউন্সিলর এরশাদ উল্লাহ, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল সোহেল আহমেদ, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, নির্বাহি প্রকৌশলী আবু সাদাত মো তৈয়ব ভাস্কর্য শিল্পী চবি চারুকলা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শায়লা শারমিন, নাট্যজন আহমেদ ইকবাল হায়দার প্রমুখ।