গোলাপগঞ্জে বয়স্ক ভাতা নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা, ভোগান্তির শিকার ভাতাভোগীরা

প্রকাশিত: ৬:০৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০, 1168 জন দেখেছেন

ফাহিম আহমদ, গোলাপগঞ্জ :: সিলেটের গোলাপগঞ্জে অগ্রণী ব্যাংকে বয়স্ক ভাতা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় থেকে আসা বয়োবৃদ্ধরা। ভাতা নিতে আসা ভাতাভোগীদের ব্যাংকের ভিতরে ঢুকারও সুযোগ দিচ্ছেনা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ সরকারের বিধিমোতাবেক সারা দেশের মতো গোলাপগঞ্জেও বয়স্কভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ও মাতৃত্বকালীন ভাতা দেয়া হয়। বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) অগ্রণী ব্যাংক গোলাপগপঞ্জ শাখায় ছিল বয়স্ক ভাতা নেওয়ার ধার্যদিন। বুধবার বিকাল ৩টার দিকে ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায়, ব্যাংকের বাহিরে প্রায় ২ শতাধিক গ্রাহক কেও ঝুঁকি নিয়ে বারান্দার দেয়ালে, কেও ঠান্ডার মধ্যে বারান্দায় আবার কেও বা অন্য ব্যাংকের পাশে গিয়ে ক্লান্ত অবস্হায় বসে আছেন। বয়স্ক ভাতা নিতে আসা গ্রাহকদের অভিযোগের শেষ নেই।

তারা জানান, আমাদের উপজেলার এক প্রান্ত থেকে ভাতা নিতে এসে সারা দিন এখানে বসে থেকে সন্ধ্যা বেলা টাকা নিয়ে বাড়িতে যেতে হয়। এমনকি মাঝে-মধ্যে ভাতার টাকা না দিয়ে বিতরণের তারিখ পরিবর্তন করে বাড়িতে যেতে বলে। আমাদের মধ্যে অনেকেই বৃদ্ধ।

ভাতা নিতে আসা রমজান মিয়া জানান, সকাল সাড়ে ৯টার সময় এসেছি। এখনও টাকা পাইনি। আর কখন পাবো তাও জানিনা। সকাল থেকে বসতে বসতে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
আরেক ভাতাভোগী তজমুল আলী জানান, আমার বয়স ৬০ বছর হয়ে গেছে। আমি সকাল থেকে না খেয়ে এখানে আছি। তারা ভিতরেও ঢুকতে দেয় না। বাহিরে বসারও কোন জায়গা নেই।

অগ্রণী ব্যাংকের ম্যানেজার লোকমান আহমদের জানান, এতে আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের ব্যাংকের ভিতরে জায়গার সংকট। আমরা চেষ্টা করব আগামীতে ভাতা নিতে আসা তাদের জন্য জায়গার ব্যবস্হা করে দিতে।