ভোলায় মামলা তুলে না নেয়ায় মসজিদ থেকে নামাজ’রত মুসল্লিকে ধাওয়া করল ৩সন্ত্রাসী;মারধরের হুমকি।

প্রকাশিত: ৫:৫১ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০, 946 জন দেখেছেন

ভোলা জেলা প্রতিনিধিঃ

ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে বসবাসরত করিম খান নামে একব্যাক্তিকে মামলা তুলে না নেয়ায় নামাজ’রত অবস্থায় মসজিদ থেকে মারধরের জন্য ধাওয়া করে স্থানীয় একটি চক্র।গত শুক্রবার জুমার দিন হামিদ খান জামে মসজিদের কাছে এ ঘটনা ঘটে।ঘটনায় জানা যায়;স্থানীয় একটি চক্রের সাথে যুক্ত সেলিম খান,কুট্টি খান ও রফিক খান নামে তিন ব্যাক্তি এঘটনা ঘটান।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে,ছয় মাস আগে পারভিন(২৭)নামে করিম খানের এক মেয়েকে উত্যক্ত করত সেলিম খান।তার পরিপ্রেক্ষিতে সেলিম খানের বিরুদ্ধে নারী নির্যতন দমন আইনে মামলা করেন করিম খান।কিন্তু তা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারেননি সেলিম খান।তাই তার নামের মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে।

এছাড়া মেরে ফেলা ও মারধর করার হুমকি পর্যন্ত দিতে থাকে সেলিম খান।কিন্তু আইনের প্রতি আস্থা রেখে ন্যায় বিচারের আশায় মামলা তুলতে নারাজ করিম খান।আর এরই জের ধরে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় মারধরের জন্য লাঠি হাতে ধাওয়া করে সেলিম খান ও তার দুই সহযোগী ভাই কুট্টি খান ও রফিক খান।এঘটনায় করিম খান মসজিদে এসে নামাজ পড়ার সাহস পাচ্ছে না।

অন্যদিকে এই সেলিম খান,কুট্টি খান ও রফিক খান মিলিয়ে এলাকায় একটি প্রভাবশালী গ্যাং তৈরী করে রেখেছে।পেশায় জেলে হলেও গায়ের জোরে এলকা দাপিয়ে বেড়ায়।যে কারনে করিম খানের পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং প্রায় কোণঠাসা হয়ে পরেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলার চেষ্টায় সেলিম খানের ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ও রফিক খানের সাথে কথা বললে জানান তেমন কিছু নয় শুধু কথা কাটাকাটি হয়েছে।কিন্তু ভিডিওতে তাদের হাতে লাঠি দেখা গেলেও এটি তিনি মানতে নারাজ।

অন্যদিকে সেলিম খান ও তার সহযোগীরা আবার নতুন ফন্দি আঁটে।এখন তাদের লোলুপ দৃষ্টি করিম খানের জমির উপর।তারা বলেন করিম খানের ক্রয়কৃত জমি তাদের।অথচ তাদের কছে জমির কোন দলির ই নাই।করিম খান দীর্ঘ ১৮ বছর পূর্বে এ জমি টি একজন থেকে ক্রয় করে।তারও পূর্বে জমিটি সেলিম খানের কোন এক আত্মীয়ের ছিল।সেলিম খানের আত্মীয় যার কাছে জমি বিক্রি করেছিলেন তার কাছ থেকে আবার দলিল সমেত করিম খান ক্রয় করেছিল।এখন করিম খানের জমিতে মোটাতাজা গাছ দেখে লালসা বেড়ে গেছে সেলিম খান ও তার সহযোগীদের।ফলে এখন তারা জমি দাবী করছে এ জমি তাদের।

সবমিলিয়ে এখন বলতে গেলে সব কিছু মিলিয়ে এখন দল পাকানো গ্যাংটি ওত পেতে রয়েছে কখন সুযোগ বুঝে তাদের ফায়দা লুটবে।আবার সমানের মৎস অভিযানে দল ভারী করে মারধরের আল্টিমেটাম দিচ্ছে এ গ্যাং বাহিনী।ফলে ভুক্তভোগী করিম খানের দাবী যেন নির্বিঘ্নে মসজিদে নামাজ পড়তে যেতে এবং তার পরিবার যেন এমন সন্ত্রাসদের কবল থেকে রক্ষা পায়।এ জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।প্রশাসন যেন এই সন্ত্রাসমূলক কর্মকান্ড দমনে সহায়তা করে এটা এখন দাবী ভুক্তভোগী পরিবারে।