গোলাপগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভূমিতে কাজ, বাঁধা দিতে গেলে হামলা

প্রকাশিত: ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২, ২০২২, 120 জন দেখেছেন

লাল সবুজ৭১ ডেস্ক : সিলেটের গোলাপগঞ্জে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভূমিতে কাজ করতে বাঁধা দেওয়ায় প্রতিপক্ষের দ্বারা হামলার শিকার হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়নের পাশে কদমরসুল গ্রামে এঘটনা ঘটে। এঘটনায় হামলার শিকার শহিদুল ইসলাম চৌধুরী (৩৫) বাদি হয়ে মঙ্গলবার রাতে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, মৌজা-কদমরসুল, এস.এ জে এল নং-৫৬, বি. এস জে.এল নং- ৫৬, খতিয়ান নং- এস.এ-১৪৩, বি.এস-১২৩, দাগ নং-এস.এ-২৯৯, বি.এস-৩৩০ শ্রেণী আমন, পরিমাণ-০.০৩ একর বা তিন শতক বর্ণিত ভূমির বিষয়ে আমেরিকা প্রবাসী সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের পক্ষে বাদি শহিদুল ইসলাম চৌধুরী অভিযোগের বিবাদি সৈয়দ ফরহাদুর রবের বিরুদ্ধে গোলাপগঞ্জ বিবিধি (মোকদ্দমা নং-১৯/২০২২ইং) ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৪৫ মোতাবেক আদালতে মামলা দায়ের করি। আদালতের আদেশ মোতাবেক থানা পুলিশ এ ভূমিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে নোটিশ জারি করে। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলা চলমান থাকা সত্বে উক্ত জায়গায় কোন পক্ষ কাজ করতে পারবেন না। আগামী ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত মামলাটি আদালতে ধার্য্য আছে। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভিযোগে উল্লেখিত বিবাদিগণ উক্ত জায়গায় শ্রমিক নিয়ে নির্মাণ কাজ করতে গেলে আমি শ্রমিকদের মৌখিকভাবে নিষেধ করি। তখন বিবাদি গণ পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার উপর আক্রমণ করে। এসময় সৈয়দ ফরহাদুর রব আমাকে কিল-ঘুষি লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লিলা-ফুলা জখম করে। তার কিল ঘুষিতে আমি মাঠিতে পড়ে গেলে আমার ব্যবহৃত আইফোন ১০ যার মূল্য আনুমানিক ৪৫ হাজার টাকা ও পকেটে থাকা নগদ ৪০ হাজার টাকা ছিনাইয়া নেয়। এসময় আমার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে বিবাদিগণ আমাকে সুযোগ পেলে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। আহত অবস্থায় কয়েকজন আমাকে উদ্ধার করে নিয়ে চিকিৎসা প্রদান করেন।

শহিদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন- সরকারি রাস্তার খালে মাটি ভরাট করে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে কালভার্টের উপরের রেলিং ভেঙে রাস্তাসহ অবৈধ ভাবে জোরপূর্বক দখল করার প্রতিবাদ জানিয়ে এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), আমুড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে স্মারকলিপিও প্রদান করেন।

অভিযোগের বিষয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার এসআই ফয়জুল করিম বলেন- অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা দেখতেছি।