নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নিহত ১

প্রকাশিত: ৮:১৯ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০২১, 377 জন দেখেছেন

লাল সবুজ৭১ ডেস্ক : ঢাকার অদূরে ধামরাইয়ে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় প্রতিপক্ষের হামলায় রাতুল (৩৩) নামের এক যুবক নিহত হয়েছে।এ ঘটনায় আহত হয়েছে একই পরিবারের আরও দুজন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই দুই যুবককে উদ্ধার করে স্থানীয়রা সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বড়কই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রাতুল কুল্লা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বড়কই গ্রামের রশিদ হাজির ছেলে। গুরুতর আহত দুজন হলো নিহত রাতুলের বাবা রশিদ হাজি ও ছোট ভাই অর্ণব।

নিহত রাতুলের চাচাত ভাই টিপু মিয়া জানান, রশিদ হাজির পরিবার এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের পক্ষে কাজ করেন এবং তারা নৌকা মার্কায় ভোট দেন। বিষয়টি নৌকার বিপরীতের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. সোলেমান মিয়ার চশমা প্রতীকের প্রার্থীরা ভালোভাবে নেয়নি। নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কালীপদ ও চশমা প্রতীকের প্রার্থী মো. সোলেমান দুজনেই হেরে যান এবং বিজয়ী হন অন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফর রহমান। এতে বিক্ষুব্ধ পরাজিত চশমা প্রতীকের প্রার্থী সোলেমান মিয়ার সমর্থক সুজন তার সস্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা চালায় কুল্লা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বড়কই গ্রামের রশিদ হাজি বাড়িতে। এ সময় সন্ত্রাসীরা বাড়ি ভাঙচুর করে এবং রশিদ হাজি ও তার দুই ছেলে রাতুল ও অর্ণবকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় ওই তিনজনকে সাভার থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাতুলকে মৃত ঘোষণা করে এবং গুরুতর আহত রশিদ হাজি এবং তার ছেলে অর্ণবকে স্থানীয় এনাম মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ঘটনার সত্যতা শিকার করে ধামরাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিক রহমান জানান, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সহিংসতার ঘটনায় রাতুল নামের একজন নিহত হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি এবং মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।