করোনাকালীন খাদ্য উৎপাদনে কৃষকের সাথে মাঠে কাজ করছেন মতিন সৈকত

প্রকাশিত: ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৯, ২০২১, 616 জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

করোনা ভাইরাসে এক বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্ব ভীতসন্ত্রস্ত, লণ্ডভণ্ড। মৃত্যুর মিছিলে প্রতিদিন যোগ হচ্ছে অগণিত লাশ। বৈশ্বিক অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। বাংলাদেশ ও চরম ঝুঁকির মধ্যে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে অসংখ্য মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিন আতঙ্কজনকহারে মানুষ মারা যাচ্ছে। মৃত্যু ভয় ঘিরে ধরেছে সকল শ্রেণির লোকজনকে। সরকার জনগণের নিরাপত্তায় সারাদেশ দ্বিতীয় বার চূড়ান্ত লকডাউন দিয়েছে। বৈশ্বিক কৃষি হুমকির মুখে। এক বছরের বেশি সময় ধরে কঠিন করোনা পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশের কৃষক সাহসীকতার সাথে খাদ্য উৎপাদন করছে। সরকার কৃষি উৎপাদনে কঠোর নজরদারি রাখছে। সাধারণ জনগণ লকডাউনে থাকলেও তাদের খাদ্য উৎপাদনের কাজ করে কৃষক। স্হানীয় কৃষকদের সহযোগিতায় কাজ করছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামের প্রভাষক,
পরিবেশযোদ্ধা, দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত মতিন সৈকত। তিনি ক্ষেতে-খামারে ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষকদেরকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করছেন। কৃষক যাতে নিজদেরকে রক্ষা করার পাশাপাশি দেশের জন্য কাজ করেন মাঠে ময়দানে ঘুরে ফিরে তাদেরকে পরামর্শ দিচ্ছেন। উল্লেখ্য মতিন সৈকত শিক্ষকতার পাশাপাশি ২৬ বছর যাবত এককালীন মাত্র দুইশ টাকা বিঘাপ্রতি ১৫০ বিঘা বোরোধানের জমিতে ধান লাগানো থেকে পাকা ধান কাটা পর্যন্ত যার যতোবার সেচের পানি প্রয়োজন ততবারই সেচের পানি সরবরাহ করে জাতীয় দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন। এছাড়াও তিনি তার এলাকার নদ কালাডুমুর ১১ কিলোমিটার পূনঃখনন করিয়েছেন সরকারি অর্থায়নে। প্লাবনভূমিতে জনগণের সম্পৃক্ততায় গণমাধ্যমের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে আপুসি, বিসমিল্লাহ, আপুবি মৎস্য প্রকল্প তিনটি বাস্তবায়ন করেছেন। বিষমুক্ত ফসল নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন আন্দোলন এবং সামাজিক উন্নয়নে ত্রিশ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করছেন।