ধোবাউড়ায় নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে ব্রীজের কাজ করায়, কাজ বন্ধ করে দিয়েছে গ্রামবাসী।

প্রকাশিত: ৯:৩৭ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ২৯, ২০২১, 578 জন দেখেছেন

জহিরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি ময়মনসিংহঃ

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ার সীমান্তবর্তী দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নে কালিকাবাড়ি খালের উপর ১৩০ ফুট দৈর্ঘের ব্রীজ নির্মানের জন্য প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় এলজিই ডি

এস আর এস কন্সট্রাকশান নামের একটি প্রতিষ্ঠান উক্ত কাজ করছে। ব্রীজটির ফাইলিং এবং পিলার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ইতি মধ্যে কাজ সম্পন্ন
হয়েছে বলে জানাযায়।

বর্তমানে দুই প্বার্শের গাইড ওয়াল নির্মানের কাজ
চলমান রয়েছে। ২৭ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর ২ টায় মাটি মিশ্রিত শুড়কি ও নিম্ন মানের বালু দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ শুরু করলে স্থানীয় এলাকা বাসি
কাজের একটি ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করে অনিয়মের চিত্রটি তুলে ধরে ভিডিও চিত্রটি সাথে সাথে ভাইরাল হয়।

ভিডিও চিত্রটিতে উপজেলা প্রকৌশল অফিসের কার্য-সহকারী মামুন মিয়ার সাথে ভিডিও ধারনকারী ব্যক্তির সাথে বাদবিতণ্ডা বাদে, এক পর্যায়ে উপস্থিত স্থানীয় এলাকা বাসি কাজ বন্ধ করে দেয়।

ভিডিওটি ময়মনসিংহের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শহীদুজ্জামানের দৃষ্টিগোচর হয়।বিষয়টি নিয়ে ধোবাউড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে ক্ষুব্দ প্রতিক্রীয়া ব্যক্ত করে বলেন, এধরনের ঘটনা কাম্য নয়, ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়মের চেষ্টা করলে অনিয়মকারীদেরকে এলাকা
থেকে বিতাড়িত করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন আমি উপজেলা প্রকৌশলীকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছি।

পরে ধোবাউড়া প্রেসক্লাবে কর্মরত সাংবাদিকদের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছান। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌছান ১ নং দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি দুলাল নায়েক।তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার কোটি কোটি টাকা দিবে উন্নয়নের জন্য, আর এলজিইডির লোকজন কন্ট্রাকটারের লোকজনের সাথে যোগসাজশ করে অনিয়ম করে সরকারের বদনাম করবে এটা মেনে নেয়া যায় না।

বিকেলে ঘটনাস্থলে যান উপজেলা প্রকৌশলী শাহিনুর ফেরদৌস। সন্ধ্যায় তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি নিম্নমানের মালামাল দিয়ে ঢালাইকৃত অংশ ভেঙ্গে দিয়ে এসেছি এবং নিম্নমানের বালু ও পাথর সাইড থেকে অপসারন না করা পর্যন্ত কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি।