করোনা কালীন সময়ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে,মাঠে থাকবে স্বেচ্ছাসেবকলীগ মানুষের কল্যাণে।

প্রকাশিত: ৪:১৬ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৪, ২০২১, 641 জন দেখেছেন

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:

করোনার প্রভাব থেকে বাঁচতে হলে সচেতনতার বিকল্প নেই,সবাইকে আরো বেশি সচেতন হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে,মোংলা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন।আমাদের সবাই সরকারী সকল নির্দেশনা আমাদের মেনে চলতে হবে,সরকার যা করছে বা করবে আপনাকে আমাকে করোনার হাত থেকে বাচানোর কন্য করছে বা করবে।এই করোনা কালীন সময় আমাদের সবার যা করণীয়।
গত এক বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে আমার ব্যক্তিগত মতামত:করোনার প্রকোপ এখন গত বছরের ঠিক এসময়ের মতনই।কিন্তু এইবার আমরা জানি কি করতে হবে।জেনেও যদি আমরা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে না পারি,তাহলে সেই দায় আমাদেরকেই নিতে হবে।লকডাউন কতদিন থাকবে,অথবা আবার দিবে কি না সেই বিষয়ে না ভেবে নিজেদের দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করতে হবে।গত একবছরে আমরা দেখেছি ব্যক্তি পর্যায়ে সাবধানতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।বাকিরা কি করছে এই চিন্তা বাদ দিয়ে ব্যক্তি পর্যায়ে ভাবতে হবে: আমি এবং আমার পরিবার স্বাস্থ্যবিধি মানছি কি না,আশেপাশের মানুষজনকে মানতে উদ্বুদ্ধ করছি না,সেইদিকে মনোযোগ দিতে হবে।যতটুক সম্ভব স্বাস্থ্যবিধি পালন করতে হবে।যেমন মাস্ক না পড়ার কোনো অজুহাত নেই;এই নিয়মটি মানতেই হবে সবাইকে।হাত পরিষ্কারের ক্ষেত্রে স্যানিটাইজার না পেলে সাবান ব্যবহার করতে হবে।দরকার হলে নিজের সাবান নিজের সঙ্গে রাখতে হবে।ভিড় এড়ানো যার পক্ষে সম্ভব তার সম্পূর্ণরূপে ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে।যার জন্য ভিড় এড়ানো একেবারেই সম্ভব না তার উচিত হবে সার্বক্ষণিক মাস্ক পরে থাকা।ভিড়ের মধ্যেই অনেক্ষন আছি ভেবে হতাশ হয়ে মাস্ক খুলে ফেলা যাবে না।যাদের অফিসের কাজ বাসায় বসে করা যায় তাদের অফিস না গিয়ে বাসায় বসেই কাজ করা উচিত।প্রয়োজনীয় কাজ বাদে হাট-বাজারে, শপিং মল,রেস্টুরেন্ট ইত্যাদিতে ভিড় না করাই শ্রেয়।কয়েকদিন সাবধানতা অবলম্বন করলে হয়তো আমরা আক্রান্তের সংখ্যা কমিয়ে আনতে পারবো।বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই সামাজিক/ রাজনৈতিক কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করে জনসমাগম ঘটানো উচিত হবে না।বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাড়তি সাবধানতা তো লাগবেই,শিশুদের ক্ষেত্রেও এখন নতুন করে আরো বেশি সাবধান হতে হবে।ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে যেহেতু সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত,এই দুই বিভাগের জেলাগুলোর সাথে অন্যান্য জেলার মধ্যে জরুরি বিষয় বাদে যাতায়াতও কমিয়ে আনা উচিত।আমার প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ মোংলা পৌর শাখার,সকল নেতা ও কর্মী বৃন্দ ভাইদের অনুরোধ করব।কে,কি,করছে আমরা ঐ দিকে না তাকিয়ে,গত বছরের ন্যায় আমরা স্বেচ্ছাসেবক লীগ পরিবার এই করোনা কালীন সময়ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে,দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থেকে,জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা পালন করব।মোংলা পোর্ট পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সকল নেতা কর্মী ভাইদের প্রস্তুত থাকার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।