একজন আবুল হোসেন দীপু

প্রকাশিত: ৫:৩৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৩, ২০২১, 405 জন দেখেছেন

মোঃ রুবেল আহমদ, গোলাপগঞ্জ :

গোলাপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নে যে কয়জন দানশীল ব্যাক্তি আছেন তাদের মধ্যে অন্যতম আবুল হোসেন দীপু। যিনি শুধুই সমাজ সেবা করে আছেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। সদা হাস্যজ্জল ও সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত আবুল হোসেন দীপু। গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সকল প্রকার সমস্যা মোকাবেলায় এগিয়ে আসেন তিনি।আবুল হোসেন দীপু সব সময় অসহায় দরিদ্র মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।

আবুল হোসেন দীপু কালিদাস পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করে ২০০৮ সালে
ঢাকা উত্তর মোহাম্মদপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ২০১০ সালে মোহাম্মদ চৌধুরী একাডেমী (এমসি কলেজ) গোলাপগঞ্জ থেকে এইচএসসি, ২০১৫ সালে মদনমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অনার্স (অর্থনীতি) ও ২০১৬ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে মাস্টার্স (অর্থনীতি) শেষ করে বর্তমানে সিলেট ল’ কলেজে এল.এল বি-তে অধ্যয়ন করছেন।

বিশিষ্ট শালিস ব্যক্তিত্ব মরহুম এইচ এম আবুল খায়ের সাহেবের মৃত্যুর পর এলাকার মুরব্বী ও যুবকেরা মিলে উনার স্মৃতি রক্ষার্থে একটি স্মৃতি পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। সেই সুবাদে ২০১৫ সালের ১ জুলাই ” এইচ এম আবুল খায়ের স্মৃতি পরিষদ ” গঠন করা হয়।
সেই থেকে এই পরিষদের পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন উনার কনিষ্ঠ পুত্র আবুল হোসেন দীপু। এই পরিষদের মুল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে অসহায় মানুষের সেবা করা। এই পরিষদের মাধ্যমে গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন।

বিশেষ করে গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের দরিদ্রদের মাঝে চাল, শীত মৌসুমে বস্ত্র, স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য গরু-ছাগল, হাঁস-মুরুগী ও ঘর নির্মানের জন্য যাবতীয় নির্মান সামগ্রী বিতরণ করেন এই সমাজ সেবক। এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠির কন্যা সন্তানের বিয়ের জন্য তিনি তার দানশীলতার হাত বাড়িয়ে দেন।

শিক্ষাবিস্তারের জন্য তিনি গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে সম্মাননা প্রদান, শিক্ষা সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদেরকে ভর্তির জন্য সহায়তা প্রদান করে থাকেন আবুল হোসেন দীপু।

এছাড়া তিনি মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মানেও সাধ্যমতো সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। তিনি এই পরিষদের মাধ্যমে প্রতিবছর বিভিন্ন মাদ্রাসার এতিম ছাত্রদের ইফতার করিয়ে থাকেন।

আবুল হোসেন দীপু মিডিয়ার কাছেও অত্যান্ত জনপ্রিয় মুখ। তার নম্রতা ও আচরণ যুব সমাজের কাছে এখন আইডল। সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্যদেরকে খেলাধুলায় গুরুত্বপুর্ণ অবদান রাখার জন্য তিনি খেলাধুলার বিভিন্ন সরঞ্জাম প্রদান করে থাকেন। আবুল হোসেন দীপু এখন শুধু সদর ইউনিয়ন নয় গোলাপগঞ্জ উপজেলায় তিনি অত্যান্ত জনপ্রিয় একজন মানুষ।

সদর ইউনিয়নের দরিদ্র মানুষের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আবুল হোসেন দীপু’র মতো সমাজ সেবক বেঁচে থাকুক যুগের পর যুগ। তার মতো জনদরদী, সমাজ সেবক, সাদা মনের মানুষ সব সময় জন্মায় না। আমরা তাকে আসন্ন ২নং গোলাপগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। আমরা তার সু-স্বাস্থ্য কামনা করি।

এদিকে আবুল হোসেন দীপু বলেন, মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। মানুষের জন্য কিছু করতে পারলে মনে শান্তি পাই। তাই সারা জীবন বিপদগস্থ্য মানুষের পাশে থাকতে চাই।