সেবার নামে হয়রানি,সেবা থেকে বঞ্চিত জন সাধারণ

প্রকাশিত: ৭:০৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৫, ২০২১, 577 জন দেখেছেন

মোস্তফা, রাজারহাট(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:

শিশুর জন্মের পর সরকারি খাতায় তার নাম লেখানো হলো জন্ম নিবন্ধন। নবজাতকের একটি নাম ও একটি জাতীয়তা নিশ্চিত করার প্রথম ধাপ এটি। আইন অনুযায়ী শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। দেশকে উন্নত দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চালাতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যা প্রশংসিত হয়েছে সর্বত্র। সেইসঙ্গে তা বাস্তবায়নের জন্য সরকারি দপ্তরগুলোতে বিভিন্ন ধরনের উন্নতমানের যন্ত্রপাতিও দেওয়া হয়েছে । দেশের নাগরিক হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে তার জন্ম সনদ। আর তা নিবন্ধন করতে হয় সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন বা পৌরসভা কার্যালয়ে গিয়ে। সারাদেশের মতো কুড়িগ্রাম পৌরসভার জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রের সংশোধনের কার্যক্রম, জন্ম নিবন্ধন সফটওয়্যার আপডেট এর ফলে বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে রাজারহাট উপজেলা সহ কুড়িগ্রামের সকল উপজেলার সাধারণ জনসাধারণ। স্থানীয় বাসিন্দা আঃ করিম লালসবুজ ৭১ কে বলেন, আমি গত কয়েক দিন ধরে রাজারহাট ইউনিয়ন পরিষদে যাচ্ছি আর আসছি কিন্তু কোনো কাজই করতে পারছি না। হঠাৎ করে নতুন নিয়ম চালু করে রাজারহাট উপজেলার সকল ইউনিয়ন সহ কুড়িগ্রাম জেলার জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রের সংশোধন কার্যক্রম। অফিসে গেলে কর্মচারীরা শুধু বলে সব কাগজ পত্র ঠিক করে আনেন। তা না হলে জন্ম নিবন্ধন আবেদন হবে না। রাজারহাট ইউনিয়নে জন্ম নিবন্ধন করতে আসা রহিমা বেগম বলেন, আমার পরিবারের এক শিশুর জন্য জন্ম নিবন্ধন করতে এসেছি। কিন্তু জন্ম নিবন্ধন করতে না পেরে আমাদের কাজ থমকে গেছে। শুধু সনদপত্রের সংশোধন কার্যক্রম নয় নতুন করে জন্ম নিবন্ধন করতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ নাগরিকরা। স্থানীয় বাসিন্দা সবুজ মিয়া বলেন, আমি ভ্যান চালক, একবেলা কাজ না করলে অনাহারে থাকতে হয়। আমার সন্তানের নতুন জন্ম নিবন্ধন করতে ৭দিন ধরে পৌরসভায় আসতেছি, কিন্তু সরকার নতুন নিয়ম চালু করায় কাজ বন্ধ করি প্রতিদিন এই ইউনিয়ন পরিষদে আসা লাগে। কর্মচারীরা বলে,কাগজপত্র আগে ঠিক করে আনেন তার পর আবেদন হবে।ইউনিয়ন জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রস্তুতকারক বলেন, আমরা চাই আমাদের কাছে যারা সেবা নিতে আসে তাদের পর্যাপ্ত সেবা দিতে। কিন্তু হেড অফিস থেকে আমাদের ইউনিয়ন জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রের সংশোধন কার্যক্রম আপডেট করায় সঠিক কাগজপত্র ছাড়া আমরা কাউকে এই ব্যাপারে কোনো সেবা দিতে পারছি না।