রাজশাহীতে আইএইচটির শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষনের অভিযোগ

প্রকাশিত: ৭:০৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৫, ২০২১, 498 জন দেখেছেন

সুজন রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলফ টেকনোলজির (আইএইচটি) শিক্ষক আতিয়ার রহমান ওরফে মুকুলের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ যাওয়া পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী ওই নারী। ৩১ ডিসেম্বর এ মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় ফুসে উঠেছে আইএইসটি’র শিক্ষার্থীরা। অভিযুক্ত শিক্ষক আতিয়ার রহমানের অপসরনের দাবিতে শিক্ষার্থীরা আজ (মঙ্গলবার) মানববন্ধন করবে। অভিযুক্ত আতিয়ার রহমান ওরফে মুকুল নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া থানার কলাবাড়িয়া গ্রামের আমজাদ ফকিরের ছেলে।বাঘা থানায় দায়ের করা মামলায় ওই নারী অভিযোগ করেন, তিন মাস আগে ঘটকের মাধ্যমে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের কথা এগিয়ে যায়। এর কয়েক দিন পরে আতিয়ার রহমান ওরফে মুকুল তার ভাবিকে সঙ্গে নিয়ে তাদের বাড়িতে আসেন। সেই সময় কৌশলে তার মোবাইল ফোন নম্বর নিয়ে যান। এরপর থেকে আতিয়ার রহমান ওরফে মুকুল তার ফোন নম্বর থেকে ওই নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকে। বেশিরভাগ সময়ে ম্যাসেঞ্জার ও ইমুতে যোগাযোগ করেন অভিযুক্ত মুকুল। এরপরে ৩০ ডিসেম্বর বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ওই নারীকে কৌশলে নাটোর গোপালপুরে ডাকেন।অভিযোগে আরো জানা যায় যে, গোপালপুর থেকে মোটর সাইকেলযোগে বাঘায় ভুক্তোভুগি ওই নারীর এক দুরসম্পর্কের আত্মীয়ের বাড়িতে যান অভিযুক্ত শিক্ষক মুকুল ও ওই নারী। সেখানে গিয়ে মুকুল ওই নারীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন ও ইচ্ছের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। ঘটনাস্থলেই ওই নারী বিয়ের দাবি করেন। কিন্তু শিক্ষক মুকুল সময় চান। এক পর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে ওই নারীর আত্মীয়-স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে ও ঘটনাস্থলেই শিক্ষক আতিয়ার রহমান মুকুলকে হাতেনাতে আটক। পরে স্থানীয় লোকজনের সহ যোগিতায় বাঘা থানায় নিয়ে আসা হয় আইএইচটি’র ওই শিক্ষককে। সেখানেই পরের দিন ৩১ ডিসেম্বর বাঘা থানায় অভিযোগটি দায়ের করা হয় (মামলা নম্বর ৯)।এদিকে এ ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ছে আইএইচটি শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পরে। এ ঘটনায় শিক্ষক আতিয়ার রহমান ওরফে মুকুলের অপসরণের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের আয়োজন করেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ মঙ্গলবার এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইনস্টিটিউট অব হেলফ টেকনোলজির (আইএইচটি) একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে কোন খারাপ চরিত্রের শিক্ষক থাকতে পারে না। দ্রুত ওই শিক্ষককে অপসরণ ও বিচারের আওতায় নেয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।