কিশোরগঞ্জে শীতের আমেজে জমে উঠেছে পিঠার দোকান

প্রকাশিত: ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৪, ২০২০, 498 জন দেখেছেন

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মহল্লার হাট-বাজার গুলোতে জমে উঠেছে পিঠা বিক্রির ধুম। শীত যতই বাড়ছে ততই বাড়ছে শীতের পিঠাপুলির কদর।শীতের ঠান্ডা হাওয়ায় মন ও শরীরকে চাঙ্গা করতে মানুষ স্বাদ নিচ্ছেন এই শীতের পিঠার।

শীতের দিনে ভাপা পিঠার আসর বসবে তাই তো শীতের শুরুতেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জমে উঠেছে ভাপা পিঠার ভাসমান দোকান গুলো। বিকেল থেকে বাজার গুলোতে পিঠা বিক্রি হলেও বিশেষ করে সন্ধ্যার সময় এই চিতই ও ভাপা পিঠার চাহিদা অনেক বেশি থাকে। প্রতিদিন বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে পিঠা বিক্রি ও খাওয়ার পালা।
কারণ শীতের সকালে বা সন্ধ্যায় গরম গরম ধোঁয়া ওঠা ভাপা পিঠার যে স্বাদ সেটা অন্য সময় পাওয়া যায় না। আবার চিতই পিঠার সাথে ধনিয়া পাতা, মরিচ, সরষে, শুঁটকি বাটা দিয়েও পিঠা বিক্রি করে। এসব দোকানে প্রতি পিস ভাপা ও চিতই পিঠা ৫ টাকা থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১০ টাকার পিঠা স্পেশাল পিঠা। আর শীতে যত রকমেরই পিঠা তৈরি হোক না কেনো ভাপা পিঠার সাথে অন্য কোন পিঠার তুলনাই হয় না। এই পিঠা বিক্রি করেই শীতের সময় অনেকে সংসার চালান।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পিঠা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, মৌসুমি এই পিঠার প্রতি অনেকের বেশ আগ্রহও দেখা যায়। বছরের সাময়িক সময়ের এই পিঠার বাজার এখন থেকেই জমে উঠেছে, সন্ধ্যার সময় এই পিঠার চাহিদা বেশি থাকে বলে জানান বিক্রেতারা। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রয়েছে ক্রেতার ভিড়। প্রতিনিয়ত ক্রেতার ভিড় বেড়েই চলেছে। এতে আয় রোজ-গারও হচ্ছে ভালোই। তারা আরও জানান, যেহেতু ভাপা পিঠার ব্যবসা শীতকালে ছাড়া অন্য কোন ঋতুতে হয় না তাই এই সময়টাই এই ব্যাবসার জন্য উত্তম। শীত মানেই পিঠা খাওয়ার ধুম। তবে সেই পিঠা যদি হয় ভাপা পিঠা।