রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের যন্ত্রপাতি মোংলা বন্দরে।

প্রকাশিত: ২:৪১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২১, ২০২০, 664 জন দেখেছেন

মিজানুর রহমান,মোংলাঃ

রাশিয়া থেকে মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে পাবনার রূপপুর পারমাণকি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের মূল যন্ত্রপাতি নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল এবং একটি স্টিম জেনারেটর।
সমুদ্রপথে রাশিয়ান ফেডারেশনের ভলগা থেকে প্রায় ১৪ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এসব যন্ত্রপাতি ১৯ অক্টোবর বেলা ১১টায় বাংলাদেশের মোংলা সমুদ্র বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায়।গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এসব যন্ত্রপাতি মোংলা বন্দরে পৌঁছে।এসব যন্ত্রপাতি রাশিয়ান ফেডারেশনের সমুদ্রগামী জাহাজ থেকে বাংলাদেশের স্থানীয় বিশেষ বার্জে স্থানান্তর করা হবে।আশা করা হচ্ছে,আগামী ৫ নভেম্বর মোংলা বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করবে।নদীপথে চাঁদপুর হয়ে আনুমানিক ২১ নভেম্বর পদ্মাপাড়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প এলাকায় নবনির্মিত রূপপুর নৌ-বন্দরে পৌঁছাবে এসব যন্ত্রপাতি।রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল এবং স্টিম জেনারেটরের মতো বড় ইক্যুপমেন্টের চালান দেশে পৌঁছানো প্রকল্পের একটি বড় অগ্রগতি।
২০১৩ সালের অক্টোবরে ঈশ্বরদীর রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লির জন্য কংক্রিটের মূল স্থাপনা নির্মাণের উদ্বোধন করেন তিনি।
এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট ২০২২ সালে এবং একই ক্ষমতার দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৩ সালে চালু হবে।সরকার ২০২৩ সালে প্রথম এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয় ইউনিট নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বুঝে নেবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের সঙ্গে মূল চুক্তি সই করে বাংলাদেশের পরমাণু শক্তি কমিশন।চুক্তি অনুযায়ী, দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ব্যয় হবে এক লাখ কোটি টাকার কিছু বেশি (এক হাজার ২৬৫ কোটি মার্কিন ডলার)।বাংলাদেশের প্রথম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হচ্ছে রুশ সহায়তায়