করোনায় আক্রান্ত ৭০ জন রোগীর পাশে “ইমার্জেন্সি প্লাজমা কালেকশন টিম সিলেট

প্রকাশিত: ৭:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০, 554 জন দেখেছেন

মোঃ রুবেল আহমদ, (সিলেট)

করোনা ভাইরাসের ফলে সিলেট যখন থমকে গেছে, ঠিক তখনি এগিয়ে এসেছে মানবতার তরে অন্ধকারে আলোর খোঁজে এক ঝাঁক ঝলমলে আকাশের তারার মতো সিলেটের কিছু তরুন স্বেচ্ছাসেবীরা। তারা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে “ভয় নয় সচেতনতা হোক আমাদের মূল চালিকাশক্তি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে সবার সহযোগিতায় “Emergency Plasma Collection Team, Sylhet “(ইমার্জেন্সি প্লাজমা কালেকশন টিম সিলেট) নামে একটি টিম গঠন করে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

সিলেট বিভাগের একমাত্র অফলাইন এবং অনলাইন ভিত্তিক টিম যারা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে আজ পর্যন্ত শুধু সিলেটে বিভাগের ৭০জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত আইসিইউতে ভর্তি রোগীকে প্লাজমাদাতা ম্যানেজ করে দিতে সক্ষম হয়েছেন। এই টিমের মাধ্যমে সিলেট বিভাগে ১ম প্লাজমাদাতা ম্যানেজ করে দেওয়া হয়েছিল।

এছাড়া সিলেট বিভাগের একমাত্র প্লাজমাদাতা এই টিমের টিম লিডার আবু মুসা মোস্তফা । যিনি কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়ে সবার দোয়ায় এবং ভালোবাসায় ৪ বার প্লাজমা দান করতে সক্ষম হয়েছেন এবং প্রতিবারেই তিনি ৪০০এমএল দিয়ে মোট ৬জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত আইসিইউতে ভর্তি রোগীর জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এসেছেন। সিলেট বিভাগের কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হওয়া ডাক্তার, স্বেচ্ছাসেবীসহ সব ধরনের মানুষেরা যারা প্লাজমা দিতে সক্ষম হয়েছেন। তারা এই টিমের মাধ্যমে সিলেটে প্লাজমা দিতে পেরেছেন বলে প্লাজমাদাতা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করেন।

উল্লেখ্য যে, এই টিম সিলেট বিভাগের বিভিন্ন উপজেলা থেকে নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্লাজমাদাতার লিস্ট সংগ্রহ করে এবং তাদেরকে বিভিন্ন উৎসাহমূলক দিক নির্দেশনা দিয়ে প্লাজমা দিতে উদ্ভূত করা হয়েছে। উক্ত টিমে একমাত্র উপদেষ্টা হিসেবে আছেন মাউন্ট এডোরা হসপিটালের ডাঃ সৌরভ দেব রাজ।

এছাড়া টিমের মধ্যে যে সকল সদস্যরা নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন – মুক্তার হোসেন মান্না (প্রধান সমন্বয়ক), এনাম উদ্দিন (সহ-সমন্বয়ক), আবু মুসা মোস্তফা (সিলেট বিভাগের একমাত্র ৪বার প্লাজমাদাতা), মুহিবুর রহমান সুয়েব, রবিউল ইসলাম রবি, তানিম খান, জয়নুদ্দিন জয়, মুক্তার আহমদ রাসেল, শামীম আর রহমান, হোসাইন আহমেদ, কাউসার মুন্তাসির ওমর প্রমুখ।