চান্দিনার নাটিংগীতে বসতভিটার জের ধরে ভাংচুর, লুটপাট ;গুরুতর জখম

প্রকাশিত: ৪:৫৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০, 611 জন দেখেছেন

আলিফ মাহমুদ কায়সার, (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

চান্দিনায় বসতভিটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ঘরবাড়ী ভাংচুর লুটপাট সেই সাথে কুপিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটেছে।
৫ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল সাড়ে ৫ টায় নাটিংগী গ্রামের ভুইয়া বাড়ীতে এসব ঘটনা ঘটে।
এ নিয়ে চান্দিনা থানায় একই বাড়ীর মৃত হাবিবুল্লার ছেলে শফিকুল ইসলাম ভুইয়া ও তার সহযোগী দুলাল ভুইয়ার নামে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে ভোক্তভোগী মৃত আমির হোসেন মাস্টারের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল ভুইয়া।
অভিযোগপত্রে বলা হয় শফিকুল ইসলাম ভুইয়ার নেতৃত্বে তার সাঙ্গু পাঙ্গু একই বাড়ীর দুলাল,বিল্লাল ও তাদের ছেলে ইমন, সায়মন তার দলবল নিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় এলোপাতারি তার পার্শ্বের বসতভিটায় কোপানো শুরু করে।চিৎকারে মৃত আমির মাস্টারে ছেলে এগিয়ে এলে লাঠিশোটা, ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে জখম করে।
এ নিয়ে মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল ভুইয়ার স্ত্রী জানান দীর্ঘদিন যাবত উভয় পক্ষ বসতভিটা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বিচার হয়। কিন্তু শফিক গং তা না মেনে গায়ের জোরে আমাদের বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে নানান কৌশলে পায়তারা চালিয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতা সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় শফিক ভুইয়া গং এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত গুরুতর জখম করে।
গুরুতর অবস্থায় লোকজন স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার চিৎকার শুনে ভাসুর মজিবুর রহমান ভুইয়া এগিয়ে এসে বাঁধা দিলে তাকে গলায় ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষরা দেশীয় অস্ত্রসস্র নিয়ে ভাংচুর তান্ডব চালিয়ে পাঁচলক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধন করে এবং তাকে হত্যার হুমকি দেয়।

ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। দুলালের ছোট ছেলে সায়মন বলেন, আমরা তাদের খরিদা সম্পত্তির দখল নিতে গিয়েছি। তারা শিক্ষকের সম্পত্তি ভাংচুর বা লুটপাট চালায়নি বলে তিনি দাবী করেন।

এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ(ওসি) শামসউদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মামলা দেয়ার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে। অভিযোগের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।