মোংলায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ।

প্রকাশিত: ২:৩৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৫, ২০২০, 622 জন দেখেছেন

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি  

(১৫ আগস্ট)শনিবার জাতীয় শোক দিবস,জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৪৫ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে,মোংলা উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ এবং সকল সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে আলোচলা সভা ও দোয়া মাহাফিল আয়োজন করা হয়।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মোংলা পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি,শেখ আব্দুর রহমান।
আলোচনা সভার পূর্বে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন।আলোচনা সভার শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
বক্তারা বলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়।
(১৫ আগস্ট) শনিবার সকাল ১০ টায় দলীয় কার্যালয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২০ উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন আজকের বাংলাদেশ। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা বলেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যার জন্য বারবার ষড়যন্ত্র করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২০ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু জানতে পারেন তাকে হত্যার জন্য পাকিস্তান থেকে অততায়ী পাঠানো হয়েছে। ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মাধ্যমে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগে তাকে হত্যার পরিকল্পনা হয়েছিলো। ১৯৭০ সালের নির্বাচনী ক্যাম্পে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিলো।১৯৭৩ সালের ১১ জুলাই কর্ণেল রশিদ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার উদ্দেশ্যে মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অস্ত্র কিনতে চেয়েছিলেন। ১৯৭৪ সালের ১৩ মে উচ্চ পর্যায়ের সেনা কর্মকর্তাদের নির্দেশে কর্ণেল ফারুক শেখ মুজিব সরকারকে উৎখাতের জন্য আমেরিকার সাহায্য চেয়েছিলেন।এই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভয়াবহ অভ্যুত্থান ঘটিয়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়।আরো বলেন,জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু হত্যাকে বৈধতা দিতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পার্লামেন্টে আইন পাশ করেছিলেন।এটাকে তিনি সংবিধানের অংশে পরিণত করেছিলেন।পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের খালেদা জিয়া সরকার ১২টি রাষ্ট্রের হাইকমিশনে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।আরো বলেন ইতিহাসের স্বপ্ন ভঙ্গ হতো যদি শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে না আসতেন। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে না আসলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ আর প্রতিষ্ঠিত হতো না।ইতিহাসের স্বপ্নভঙ্গের আশঙ্কা থেকে রক্ষা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু অবিচ্ছেদ্য।বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিলো সুখী, সমৃদ্ধ,আধুনিক ও অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ।তিনি সূচনা করে দিয়েছিলেন আর সেটাকে বাস্তবায়ন করছেন তার রক্তের এবং আদর্শের উত্তরসূরি শেখ হাসিনা।তিনি গোটা জাতিকে বুকে ধারণ করেন।বর্তমানে বিশ্ব নেতৃত্ব বলছেন আধুনিক বাংলাদেশ আর শেখ হাসিনা অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়।বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য,ত্রিশ লক্ষ শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাদের পাশে আছে।আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন,মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, ইব্রাহিম হোসেন।পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক শেখ কামরুজ্জাম জসিম।পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ইমাম হোসেন।পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন মিলন।মোংলা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, ইস্রাফিল হাওলাদার।পৌর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি,এস এম কবির হোসেন।উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক, ইকবাল হোসেন।পৌর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক,শেখ আল মামুন।পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর সভাপতি,মিজান তালুকদার।পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,এরশাদ হোসেন রনি।পৌর ছাএলীগ সভাপতি,কাজী মোয়াজ্জেম হোসেন রানা।সাধারন সম্পাদক,শেখ শাহারুক বাপ্পিসহ আরো অনেকে।আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিল ও বৃক্ষ বিতরণ করেন।