সিলেটের বিয়ানীবাজারে বক্ত সিটি মার্কেট নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিপাকে বিক্রেতারা

প্রকাশিত: ২:২৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২০, 559 জন দেখেছেন

সিলেট অফিস : সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের স্থানীয় রামধা বাজারের বক্ত সিটি মার্কেটের ভাড়া নিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে দ্বন্দ্ব হয় মালিক পক্ষের। মঙ্গলবার সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা যায়, বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের স্থানীয় রামধা বাজারের ত্রিমোহনী নামক স্থানে ২০০৮ সালে স্থাপিত হয় বক্ত সিটি মার্কেট। যার সত্বাধিকারী ছিলেন প্রয়াত প্রবাসী মজিদ বক্ত। তৎকালীন সময়ে উনার ৮ ছেলের মধ্যে ৭ ছেলে দেশের বাহিরে থাকায় পুত্র আবুল কালামের কাছে ভাড়া দিতেন ব্যাবসায়ীরা। পরে কালামও চলে যায় প্রবাসে এবং দেশে ফিরে আসে আরেক পুত্র আব্দুল জব্বার। পরে তার মা ব্যাবসায়ীদেরকে দোকানের ভাড়া আব্দুল জব্বারের কাছে জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। এরপর থেকে ব্যবসায়ীরা আব্দুল জব্বারের কাছে প্রতিমাসের ভাড়া জমা দেন। কিন্তু বর্তমানে প্রয়াত মজিদ বক্ত’র ছেলে প্রবাসী আবুল কালাম দেশে ফিরে আসে এবং প্রতি মাসের ভাড়া তার কাছে দেওয়ার জন্য ব্যাবসায়ীদেরকে আহবান করেন। এতে ব্যাবসায়ীরা ক্ষোব্দ হলে ঐ মার্কেটের ব্যাবসায়ীদের উপর মামলা দেন আবুল কালাম। মামলার ফলে ব্যাবসায়ীরা হয়রানির স্বীকার ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এছাড়া বর্তমানে ঐ মামলা প্রক্রিয়া দিন রয়েছে বলে ব্যাবসায়ীরা জানিয়েছেন।

বক্ত সিটি মার্কেটের রহমান ফার্মেসীর সত্বাধিকারী লুৎফুর বলেন, আমি ঐ মার্কেটে বিগত তিন বছর থেকে আমার ফার্মেসী ব্যাবসা চালিয়ে আসছি এবং প্রতিমাসের ভাড়া আমি আব্দুল জব্বারের কাছে দিতাম। কিন্তুক বর্তমানে আব্দুল জব্বারের ভাই আবুল কালাম তার কাছে দোকান ভাড়া দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন এবং তার সাথে এ ব্যাপারে বাক-বিতম্ব হলে এক পর্যায়ে তিনি আমাকে দোকান থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন।

এদিকে, বক্ত সিটি মার্কেটের খেলাঘর এন্ড সুজ’র পরিচালক শামীম আহমদ বলেন, ঐ মার্কেটে আমি বিগত দশ বছর থেকে আমার ব্যাবসায়ীক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছি এবং প্রতিমাসের ভাড়া আমি আব্দুল জব্বারের কাছে দিতাম। কিন্তুক বর্তমানে আব্দুল জব্বারের ভাই প্রবাসী আবুল কালাম তার কাছে দোকানের ভাড়া দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।

এ ব্যাপারে বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ অবনী শংকর কর বলেন, বক্ত সিটি মার্কেটের ভাড়া নিয়ে ব্যবসায়ীদের সাথে মালিক পক্ষের দ্বন্দ্ব বিষয়ে জেনেছি এবং আমি সেখানে গিয়েছি। পাশাপাশি বিষয়টি মিমাংসার জন্য উভয় পক্ষকে থানায় আসার জন্য বলেছি।