তিস্তা নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে সাংসদ- পনির

প্রকাশিত: ৭:১৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২২, ২০২০, 694 জন দেখেছেন

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :: তিস্তার নদীর ভাঙ্গনে রেহাই পেলনা কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বুড়ির হাট রক্ষাটি বাদ। ধ্বংসাত্ববুড়িহাট টি বাদ পর্যাবেক্ষন করতে আসেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ (এমপি)।

ভারী বৃষ্টি উজান থেকে নিমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাড়ছে প্রবল স্রোত। ঘূর্ণিস্রোতের কবলে পড়ে ৩৫০ মিটার দীর্ঘ বুড়িরহাট স্পারটির ৫০ মিটার অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত তিনদিন ধরে পানি উন্নয়ন জিও ব্যাগ ফেলে স্পারটি রক্ষার চেষ্টা করলেও প্রবল ঘূর্ণিস্রোতে কারণে শেষ রক্ষা হয়নি।

সোমবার সন্ধ্যায় স্পারটির অংশ বিশেষ বিলীন হবার পর আতংক দেখা দিয়েছে তিস্তা পাড়ের মানুষের মধ্যে। 

এলাকাবাসী জানান, স্পারটি ভেঙে যাওয়ার ফলে উজান ও ভাটিতে ১০-১২ টি গ্রামের মানুষ ভাঙন আতংকে রয়েছেন। পাশাপাশি বুড়িরহাট ও কালিরহাট বাজারসহ ঝুঁকিতে পড়েছে গাবুরহেলান গ্রামের স্পারটিও।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সরেজমিন রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙা ইউনিয়নের বুড়িরহাটে গিয়ে দেখা যায় শত শত মানুষ ভেঙে যাওয়া স্পারটি দেখার জন্য ভিড় করছে। পাশেই ঘর বাড়ির অবশিষ্ট অংশ সরিয়ে নিচ্ছে একটি পরিবারের নারী, পুরুষ ও শিশুরা।

এদের একজন শরিফা বেগম জানান, হঠাৎ করেই স্পারটি ভাঙনের কবলে পড়ায় তাদের বসতভিটা বিলীন হয়ে গেছে। রাস্তার পাশে মালামাল রেখে কোনমতে দিনযাপন করছেন। একই অবস্থা সালাম, মজিদুল, তৈয়ব, মঞ্জু মিয়াসহ কয়েকজনের। সবাই তিস্তার আগ্রাসনে ভিটেহারা।

ঘড়িয়ালডাঙা গ্রামের ইয়াসিন আলী জানান, এই স্পারটি অনেক কয়েকটি গ্রামকে রক্ষা করেছিলো। কিন্তু এখন সবাই ঝুঁকিতে পড়েছেন। দ্রুত স্পারটি মেরামত না করলে শত শত পরিবার নি:শ্ব হয়ে যাবে।সবাই খালি আশা দেয় কাজ আর করে না। আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই। আর কত পানির নিচে থাকমো হামরা। হামরা নদী ভাঙ্গন এ স্থায়ী সমাধান চাই।

কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ জানান, স্পার ও বাঁধগুলো রক্ষায় আগে থেকেই প্রস্ততি নেয়া হলেও বন্যার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় কয়েকটি স্থানে স্পার ও বাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগ করে দ্রুত এসব ভাঙা অংশ মেরামত করে জনগণের ভোগান্তি কমানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।