মনু মিয়া ও ইকবালের খুটির জোর কোথায়? সত্যকে মিথ্যা বলে অপপ্রচার,আইনী পদক্ষেপকে হয়রানি বলে মিথ্যা সংবাদ প্রচার

প্রকাশিত: ১২:৪৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২০, 731 জন দেখেছেন

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধিঃ-  

সত্য ঘটনাকে মিথ্যা হিসেবে অপপ্রচার এবং আইনী পদক্ষেপকে হয়রানির শিকার শিরোনামে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হয়েছে । প্রশাসন ও সালিশ বৈঠককে বৃদ্ধাঙ্গলি দেখিয়ে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি করছে। বার বার পুলিশ জেলহাজতে পাঠালেও পুনরায় আবার একই কাজ করছে। এসব অভিযোগ উঠেছে মনু মিয়া ও তার পুত্র ইকবালের বিরুদ্ধে।
মনু মিয়া কুমিল্লা জেলার চান্দিনা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড ছায়কোট গ্রামের মৃত নোয়াবআলীর পুত্র ও ইকবাল মনু মিয়ার পুত্র।
অভিযোগ রয়েছে বাবা ছেলে এক সময় বিএনপি করতো। পরে এলডিপি থেকে আওয়ালীগে যোগ দেয়। আওয়ামীলীগে যোগ দেওয়ার পর থেকে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে খাস পুকুর দখল, মাছ চুরি, গাছ চুরি, ভূমি দখল সহ নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়। এসব অপকর্মের কারণে পুলিশ বার বার জেল হাজতে পাঠালেও সেখান থেকে এসে পুনরায় একই কাজে লিপ্ত হয়।
আরো অভিযোগ আছে রাজনৈতিক কিছু নেতার ছত্রছায়ায় এই সব অপকর্ম করছে মনু মিয়া ও তার পুত্র। চান্দিনার ছায়কোট গ্রামের আতংকের আরেক নাম মনু পরিবার।
ভোক্তভোগী ফারুক মিয়া একজন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার)। তিনি কুমিল্লা জেলার চান্দিনা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড ছায়কোট গ্রামে বসবাস করেন এবং চান্দিনা উপজেলার বরকইট ইউনিয়নের শ্রীমন্তপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের পুত্র।
ফারুক আহমেদ জানান, তার পরিবারের প্রধান ব্যক্তি তিনি। তিনি একজন সম্মানী ব্যক্তি এবং চান্দিনা ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা। ২০১৮ ইং সালে তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে মনোনিত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত ছায়কোট গ্রামে জায়গা ক্রয় করে বসবাস করে আসছেন। তিনি একই উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের ভূমি অফিসের তহসিলদার। তিনি সম্মানের সাথে বাঁচতে চান। তাই মনু মিয়া ও তার পরিবারের মিথ্যা অপপ্রচার থেকে বিরত থেকে যাচাই বাছাই করে সঠিক সংবাদ প্রচার করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ জানান।
মনু মিয়ার পরিবার তাকে দীর্ঘ দেড় বছর যাবত সরকারি কাজে অফিসে আসা যাওয়ার পথে বিরক্ত করছে, হুমকি ধমকি সহ প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছে। গত জুন মাসের শুরু দিকে তাকে ৩দিন গৃহবন্ধি রেখেছে। সেখান থেকে সেনাবাহিনী, চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার ভূমি, পুলিশ তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় কাউন্সিলর ছালাম মিয়ার উপস্থিতিতে মনু মিয়ার নিকট থেকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়।
তিনি আরো জানান, প্রতিদিন তাকে সরকারি কাজে মানুষের সেবায় অফিসে যেতে হয়। যে কোন সময় তাকে বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। তাই তিনি সর্বক্ষন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন বলে অভিযোগ করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।