কিশোরগঞ্জে তীব্র নদী ভাঙ্গন হুমকির মুখে ৩০ পরিবার

প্রকাশিত: ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৭, ২০২০, 583 জন দেখেছেন

কিশোরগঞ্জ নীলফামারী প্রতিনিধি:-গত কয়েক দিনের অব্যাহত বৃষ্টিপাতে ধাইজান নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেসবা তেলিপাড়া গ্রামের প্রায় ৩০ টি পরিবার শহরের সাথে অত্রাঞ্চলের জনগনের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক ও বাড়িঘর নদীর তীব্র ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়েছে।স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকায় কেসবা গ্রামের তেলিপাড়া এলাকার প্রায় ৩০ টি পরিবার নদী গর্ভে বিলীন হওয়া উপক্রম দেখা দিয়েছে । শহরের সাথে ওই এলাকার জনগনের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক ইতিমধ্য নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। দেড়শ মিটার অংশ নদীর তীব্র ভাঙনে চরম আতংঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় রয়েছে নদীর পাড়ে বসবাসরত স্থানীয় লোকজন।ওই গ্রামের রুস্তম জানান, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে নদের ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। নদী ভাঙ্গন রোদ করতে না পারলে হয়তো দুই এক দিনের মধ্যেই তার একমাত্র বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এই অবস্থায় বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। একই গ্রামের বাসিন্দা জামিন , ফরিদুল আমিন জানান, এখনই সড়কসহ নদীর তীরে স্থায়ী বাঁধ না দিলে আরো কয়েক শত বাড়িঘরসহ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা রয়েছে। তারা আরো জানান, জীবনের শেষ সম্বল টুকু যদি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়, অন্যর বাড়িতে আশ্রয় না মিললে, উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। নদী ভাঙ্গনের খবর পেয়ে দ্রুত
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ মোঃ আবুল কালাম বারি পাইলট,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি মোফাখখারুল ইসলাম নদী ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। ভাঙনের ভয়াবহতা দেখে কর্মকর্তা বৃন্দ দ্রুত স্থায়ী বাঁধের আশ্বাস দেন।এ ব্যাপারে সৈয়দপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসডি মোফাক্ষারুল ইসলাম এর সাথে সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নদীর ভাঙনের বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নদী ভাঙন রোধকল্পে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।