নওগাঁর আত্রাইয়ে প্রথমবারের মতো চাষ হচ্ছে মরুর ফল সাম্মাম 

প্রকাশিত: ৬:৫৭ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৩, ২০২০, 1083 জন দেখেছেন


নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি- নওগাঁর আত্রাইয়ে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে সৌদি আরবের সাম্মাম নামে পরিচিত ফল।রেজাউল নামের এক যুবক উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের পশ্চিম মিরপুর গ্রামে প্রায় দেড় বিঘা জমিতে এই ফলের চাষ করেছে।
আত্রাইয়ে উচ্চ মুল্যের এই সাম্মাম ফলের চাষ করে এলাকায়  তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি । কিন্তু করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারনে দুরের পাইকার আসতে পারছেন না বলে এই ফল বিক্রিতে ন্যায্য মূল্য পাওয়া নিয়ে শংকা প্রকাশ করেছেন এই ফল চাষী। এমন পরিস্থিতি তে ন্যায্য মুল্য না পেলে লোকসানের আশংকা ও করছেন তিনি। সাম্মাম চাষী রেজাউলের সাথে কথা হলে তিনি জানান। সাম্মাম সৌদিআরবের জনপ্রিয় রসালো একটি ফল।( এগ্রো ওয়ান) কম্পানির মোঃ সামিউল ইসলাম টগরের কাছে থেকে জানতে পারি দেশের বাহিরের কয়েকটি দেশ থেকে উচ্চমুল্যে  এই ফল আমদানি করা হয় এবং আমাদের দেশে বেশ লাভজনক দামে তা বিক্রয় হয়।এই চিন্তাধারা থেকে,  বীজ কম্পানি এগ্রো ওয়ান এর সামিউলের কাছে থেকে বীজ সংগ্রহ করে।  আমি আমার জমিতে এই ফলের চাষ শুরু করেছি।আশাকরছি লাভবান হবো।
 সাম্মাম ফলের বাহিরের অংশ অনেকটা ধূসর বাদামী  বর্নের ভিতরের অংশ অনেকটা কাঁচা হলুদ রংয়ের। এর প্রতিটি ফল দুই থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত ওজন হয়। 
 পুষ্টি জাতীয় রসালো এ ফল খেতে সুস্বাদু ও মিষ্টতা ভরা।প্রতিবিঘা জমিতে ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম বীজ প্রয়েজন। এ ফলের বীজ বপন ও চারা গজানো থেকে সঠিক পরিচর্যা করলে দু মাসের মধ্যেই গাছে ফল আসে  এবং তিন মাসের মধ্য খাবার উপযোগী হয়।
উচ্চমুল্যের এই সাম্মাম ফল ২০০থেকে২৫০ টাকা কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে বলে জানান এই ফল চাষী। 
এবিষয়ে আত্রাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কে এম কাউসার হোসেন বলেন। পুষ্টি গুন সম্পন্ন এই ফল খেতে বেশ সুস্বাদু। আমাদের দেশে এ ফলের বেশ চাহিদা রয়েছে। তার এই আগ্রহ দেখে অনেকেই এই ফল সহ অন্যানো নতুন নতুন ফল ফসল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠবে এবং উচ্চ মুল্যের এই ফল বিক্রি করে চাষী রেজাউল  লাভবান হতে পারবেন বলে মনে করেন এই  উপজেলা কৃষি কর্মকতা।